সকালে খালি পেটে কিশমিশ ভেজানো পানি পান করলে শরীরে দ্রুত পুষ্টি ও শক্তি জোগায়।
পানি পান
শীতকালে ঠান্ডা পানি খাওয়ায় যেন দায়। এসময় সবাই বেছে নেন হালকা কুসুম গরম পানি। কিন্তু অনেকের মনে একটা প্রশ্ন ঘুরপাক খায় তা হলো এটি কী ক্ষতিকর?
শীতকালে ঠান্ডা পানি খাওয়ায় যেন দায়। এসময় সবাই বেছে নেন হালকা কুসুম গরম পানি। কিন্তু অনেকের মনে একটা প্রশ্ন ঘুরপাক খায় তা হলো এটি কী ক্ষতিকর?
পানির অপর নাম জীবন। সুস্থভাবে বাঁচতে পর্যাপ্ত পানি পানের বিকল্প নেই। এ কথা কম-বেশি সবার জানা। কিন্তু কতটুকু পানিকে পর্যাপ্ত বলা যায়? পানি পানের এই হার কিন্তু ব্যক্তির শারীরিক গঠন, পরিশ্রমের হার এবং শারীরিক জটিলতার ওপর নির্ভর করে।
প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে অনেকেরই পানি পানের অভ্যাস রয়েছে। কেউ কেউ আবার খালি পেটে গরম পানি পান করেন। ঘুম থেকে উঠে দাঁত ব্রাশ করার আগে কোনো খাবার খাওয়া উচিত না বলে মত চিকিৎসকদের।
শীতকাল এলে পানির সঙ্গে আড়ি করেন অনেকেই। পানি পানের পরিমাণও কমিয়ে দেন। মনে করেন, পানি কম খেলে, বাথরুমে কম যেতে হবে। আবার কেউ কেউ মনে করেন, যতই শীত পড়ুক অন্তত ৩/৪ লিটার পানি খেতেই হবে।
সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর হালকা গরম পানি পান করা স্বাস্থ্য রক্ষার একটি প্রাচীন ও অত্যন্ত কার্যকর অভ্যাস।
সকালে ঘুম থেকে ওঠে খালি পেটে এক গ্লাস গরম পানির উষ্ণতা শরীরের ব্যথা স্থানে রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে দেয়। ফলে সেখানে ব্যথা কমাতে এবং সেই স্থান ঠিক হতে সাহায্য করে। এছাড়া, হাড়ের গাঁটে ব্যথা কমাতেও গরম পানি ব্যবহার হয়।
পানির অপর নাম জীবন। পর্যাপ্ত পানি না খাওয়ার অভ্যাসে শরীরে ইউরিক অ্যাসিডের মাত্রা বেড়ে যায়, যার ফলাফল হতে পারে গেঁটে বাত, কিডনিতে পাথর কিংবা হার্টের জটিলতা পর্যন্ত।
শরীরে তরলের ভারসাম্য রক্ষা করতে পানি অত্যন্ত উপকারী। মানবদেহের প্রায় ৬০-৭০ শতাংশ অংশই পানি দিয়ে গঠিত।